Articles

Mahdi, Dajjal and Eassa(AS)

Deen, Sharia'h and Fiqh

Issues of which breaks the Iman

Dominance and Lordship

Justice and Governance

The boundary of sustaining the Relationship

Tagoot

Marriage and Divorce

Life of the Prophet (SAW)

Life of Khulafa Rashideen (RA)

The Ten Glad Tiding to Jannah

Democracy, Monarchy and Khilafah

Respecting wifes and slaves of Prophet(SAW)

 

  খ্রিস্টধর্ম ত্যাগ করে কেন ইসলাম গ্রহণ করলেন সিসিলা? 

  
আরটিএনএন. আন্তর্জাতিক ডেস্ক ২৩ নভেম্বর,২০১৪
নিউইর্য়ক: সিসিলা মাহমুদা ক্যানলি ছিলেন একজন ক্যাথলিক খ্রিস্টান। ছোট বেলাতেই তার মনে জন্ম নেয় খ্রিস্টধর্মের রহস্য এবং অলৌকিকতা, শাস্ত্রীয় আচার পালন এবং মতবাদ সর্ম্পকে নানা প্রশ্ন। কিন্তু এই প্রশ্নের সঠিক কোন উত্তর তিনি চার্চ বা যাজকদের কাছে পাননি। 

হঠাৎ তিনি ইসলামের সাক্ষাৎ পান এবং একদিন মেয়ে সহ ইসলাম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন। অনইসলাম ডটকমে ইসলাম গ্রহণ করার কাহিনী নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছেন তিনি । শুনুন তার মুখ থেকেই…
  
প্রথমত এবং সর্বাগ্রে আমি যা বলব তা হআঃ আমি নিজের অজান্তেই মৌলিকভাবে সব সময় একজন মুসলিম ছিলাম।

আমি আমার প্রারম্ভিক জীবন থেকেই বিভিন্ন কারণে খ্রিস্টান ধর্মের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। এর প্রধান কারণটি হচ্ছে- যখনই আমি কোনো খ্রিস্টান যাজককে প্রশ্ন করতাম যে, তথাকথিত পবিত্র আদেশ অথবা লাইম্যান একজন ব্যক্তির অধিকারভুক্ত কিনা? আমি তাদের সবার কাছে একঘেঁয়েমিপূর্ণ উত্তর পেয়েছি। 

চার্চের কোনো কিছু আমাকে ধাঁধায় ফেললে আমি তাদের কাছে সমাধান চাইতাম কিন্তু সন্তোষজনক জবাব পেতাম না। তারা উত্তরে বলত, ‘চার্চের শিক্ষা নিয়ে তোমার কোনো প্রশ্ন করা উচিৎ নয়। তোমাকে অবশ্যই এর উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আমি তাদের উত্তরে সন্তুষ্ট হতাম না।  কিন্তু তখন আমি সাহস করে বলতে পারতাম না যে, এই উত্তরে আমি সন্তুষ্ট নই। 

‘আমি যা বুঝতে পারি না সে সর্ম্পকে আমার বিশ্বাস থাকতে পারে না।’ আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যারা নিজেদেরকে খ্রিষ্টান বলে পরিচয় দেয়, তাদের অধিকাংশই এ ব্যাপারটি সর্ম্পকে পুরোপুরি অজ্ঞ।

আমি চার্চ (রোমান ক্যাথলিক) ও তার শিক্ষা ত্যাগ করে আমার বিশ্বাস এক ঈশ্বরের প্রতি স্থাপন করি। চার্চের তিনজন দেবতায় বিশ্বাসের তুলনায় এক আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করা অনেক সহজ। 

খ্রিস্টান শিক্ষার রহস্য, অলৌকিকতা, শাস্ত্রীয় আচার পালন এবং মতবাদের বিপরীতে ইসলামের মধ্যে জীবনের একটি নতুন এবং ব্যাপকতর অর্থ খুঁজে পাই আমি। যেদিকেই তাকাই আমি শুধু আল্লাহর সৃষ্টি দেখতে পাই।

আল্লাহর সৃষ্টি গাছ, ফুল, পাখি ও প্রাণী দেখে আমি তার অলৌকিকতায় আশ্চর্য হই। এমনকি নতুন জন্ম নেয়া একজন শিশুও  সুন্দর, অলৌকিক হয়ে ওঠে। চার্চের অলৌকিকতা যা আমাকে বিশ্বাস করতে শিক্ষা দিয়েছিল তা ইসলামের অলৌকিকতা হতে বহু দুরে।

আমার মনে আছে, শিশুকালে আমি নবজাতক শিশুদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম ‘তার সবকিছুই তো কালো পাপে আচ্ছাদিত।’

ইসলাম গ্রহণ করার পর কদর্যতায় এখন আর আমার কোনো বিশ্বাস নেই। আমার কাছে সবকিছুই সুন্দর হয়ে ওঠেছে। একদিন আমার মেয়ে  ইসলাম সর্ম্পকিত একটি বই বাড়িতে নিয়ে আসে। এটি পড়ে আমরা এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে ওঠি এবং এরপর ইসলামের উপর অন্যান্য আরো অনেক বই অনুসরণ করি।

শীঘ্রই আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে, এটি প্রকৃতপক্ষে সেটিই যা আমরা অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম। খ্রিস্টান থাকার সময় আমাকে এ বিশ্বাসে প্ররোচিত করা হয়েছে যে, ইসলাম কেবলমাত্র তাই যা নিয়ে রসিকতা করা যায়।

তারপর থেকে যা কিছু আমি পড়েছি তা আমার নিকট ছিল আপ্তবাক্য। অচিরেই আমি কিছু মুসলিমের অনুসন্ধান করি এবং যে বিষয়গুলো আমার নিকট স্পষ্ট ছিল না সে বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করি।

এখানে পুনরায় অন্য আপ্তবাক্য ছিল। আমার সকল প্রশ্নের উত্তর ছিল দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত। খৃস্টান যাজকদের প্রশ্ন করে খ্রিস্টবাদ সম্পর্কে আমার যে হতাশাজনক অভিজ্ঞতা হয়েছিল এটা ছিল তা থেকে একেবারেই আলাদা। 

ইসলাম ধর্মের উপর ব্যাপক অধ্যয়নের পর আমি এবং আমার মেয়ে উভয়ে মুসলিম হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। ইসলাম ধর্ম গ্রহন করার পর আমার নাম রেখেছি মাহমুদা ও মেয়ের নাম রেখেছি রাশিদা।

আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় ইসলামের কোন জিনিসটি সবচেয়ে বেশি আমাকে আকর্ষণ করেছে। আমি বলব-সেটি হল নামাজ। ইসলামে নামাজের মাধ্যমে সর্বশক্তিমান আল্লাহর সকল নেয়ামতের জন্য তার প্রশংসা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। আল্লাহ জানেন আমাদের কল্যাণের জন্য কি প্রয়োজন এবং আমাদের যা প্রয়োজন তা তার কাছে চাওয়া ছাড়াই তিনি আমাদের প্রদান করেন।

 

ব্রিটিশদের ইসলাম গ্রহণের হার দ্বিগুণ বৃদ্ধি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৪


গত এক দশকে ব্রিটিশদের ইসলাম গ্রহণের হার দ্বিগুণ বেড়েছে বলে ব্যাপকভিত্তিক এক গবেষণায় দেখা গেছে।
ব্রিটিশদের ইসলামে ধর্মান্তকরণ নিয়ে আগে যেসব সংখ্যা অনুমান করা হতো বাস্তবে দেখা গেছে এই সংখ্যা তার কয়েকগুণ।
ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট জানায়, আগে ধারণা করা হতো যে গত এক দশকে ১৪,০০০ থেকে ২৫,০০০ ব্রিটিশ নাগরিক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু আন্তধর্মীয় একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, এক দশকে প্রায় ১ লাখ ব্রিটিশ নাগরিক ইসলাম গ্রহণ করেছেন। বছরে ৫ হাজারের বেশি ব্রিটিশ নাগরিক ইসলামে ধর্মান্তরিত হচ্ছেন।

ফেইথ ম্যাটার্স নামের সংগঠনটির পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, মসজিদে নওমুসলিমদের যে পরিসংখ্যান রাখা হয়েছে তাতে দেখা যায়, বছরে প্রায় ৫,২০০ লোক ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
জার্মানি ও ফ্রান্সে ইসলাম গ্রহণের হারও এ রকমই।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটেনে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ। ইসলাম গ্রহণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সংখ্যাও বাড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নও মুসলিমরা ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন। তারা তাদের পরিবার ও স্বজনদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান, নতুন জীবনধারা গ্রহণ করতে হয়। এছাড়া অনেক নওমুসলিমকেই সন্দেহের চোখে দেখা হয়।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গণমাধ্যমেও নেতিবাচকে ইসলাম গ্রহণের খবর প্রকাশ করা হয়। কারো ইসলাম গ্রহণের খবর প্রকাশ করার সময় খবরের সাথে ইসলামের সাথে চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের সাথে তথাকথিত সংশ্লিষ্টতার খবর জুড়ে দেয়া হয়।